ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার

সেবামূলক সংগঠনে স্বেচ্ছাসেবক
August 2, 2016
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ সহশিক্ষা কার্যক্রম
October 2, 2016
Show all

ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার

ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ

ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার কী?
ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার একটি বিশ্বাস। একটি প্রতিশ্রুতি। বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতে বিশ্বাসী একটি সামাজিক আন্দোলন। ক্ষুধামুক্ত আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রত্যাশার ভিত্তিতে এ আন্দোলন পরিচালিত।
ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার স্বেচ্ছাব্রতী সংস্থা দি হাঙ্গার প্রজেক্টের অনুপ্রেরণায় সৃষ্ট একটি ছাত্র সংগঠন। ছাত্র-ছাত্রীদের নেতৃত্বেই এ সংগঠন পরিচালিত। এ সংস্থার প্রতিটি সদস্য নিজের ভাগ্য নিজে গড়তে এবং অন্যকে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়তে হলে ছাত্র-ছাত্রীদের আত্মবিকাশ প্রয়োজন। প্রয়োজন এ ক্ষুধামুক্তির আন্দোলনে তাদের বলিষ্ঠ পদক্ষেপ ও অবদান। তাই এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হলো –
-ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা ও সৃজনশীলতার সর্বাধিক বিকাশের লক্ষ্যে তাদেরকে প্রণোদিত ও সংগঠিত করা;
-তাদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা বোধ সৃষ্টি করে সমাজ সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা;
-তাদের মধ্যে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের প্রত্যয় সৃষ্টি করা;
-সংগঠনের প্রতিটি সদস্যকে সফল, স্বয়ংক্রিয় ও স্বেচ্ছাব্রতী নেতা হয়ে ওঠার লক্ষ্যে প্রণোদিত করা; এবং
-প্রত্যেককে বিজ্ঞানমনস্ক হয়ে উঠতে উৎসাহিত করা।
ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো যে, ছাত্র-ছাত্রীরা পড়ালেখার পাশাপাশি তাদের অবসর সময়ে সমাজ গঠনের কাজে নিজেদের নিয়োজিত করবে এবং উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। যার মাধ্যমে আমাদের সবার জন্য একটি সমৃদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যত সৃষ্টি হবে।
ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের কার্যক্রম
বর্তমানে সারা দেশে এক লক্ষাধিক ছাত্র-ছাত্রী ক্ষুধামুক্ত আত্ননির্ভরশীল বাংলাদেশ গঠনের প্রচেষ্টাকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার কাজে নিয়োজিত। এ লক্ষ্যে তারা নানামুখী সৃজনশীল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আর এই কাজের ভিত্তি হচ্ছে সামাজিক দায়বদ্ধতাবোধ। মূলতঃ কর্মশালা ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে দায়বদ্ধতাবোধ সৃষ্টি করা হয়।
ক্ষুধামুক্তির এই গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনের একজন স্বয়ংক্রিয় ও স্বেচ্ছাব্রতী সৈনিক হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষমতায়িত করতে ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং পরিচালিত হয়। যার মাধ্যমে তাদের মধ্যে একটি ক্ষুধামুক্ত আত্ননির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার সমন্বিত প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়। এ প্রত্যাশা অর্জনে নিবিষ্ট থাকতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় এবং কিছু সুস্পষ্ট কার্যক্রম হাতে নেয়।
সামাজিক আন্দোলনকে বেগবান করতে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের সদস্যরা যে সকল সুস্পষ্ট কার্যক্রম হাতে নেয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো ‘প্রত্যাশা, প্রতিশ্রুতি ও কার্যক্রম’ শীর্ষক কর্মশালা পরিচালনা। দেশব্যাপী পরিচালিত এ সকল কর্মশালার মাধ্যমে অন্যের মধ্যে সামাজিক দ্বায়বদ্ধতা বোধ সৃষ্টি হয়, সকলের মধ্যে আত্ননির্ভরশীলতা অর্জনের প্রত্যাশা জাগ্রত হয় এবং তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়। যার ভিত্তিতে নানামুখী কার্যক্রম গৃহীত হয় এবং পরিচালিত হয়। যেমন: যুব সংসদ, সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রচারাভিযান, গণিত উৎসব, পাঠাগার গঠন, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, পরিবেশ উন্নয়ন, বৃক্ষরোপণ, বিজ্ঞান ক্লাব, ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, শতভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিতকরণ, নিরক্ষরতা ও আর্সেনিক দূরীকরণ, স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম, ইভ টিজিং, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মাদক প্রতিরোধ ইত্যাদি। এছাড়াও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সৃজনশীল বিষয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন, নারীদের প্রতি বৈষম্য অবসান ও বাল্যকাল থেকে তাদের প্রতি যত্ন নেওয়া ও বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে কর্মসূচি গ্রহণ ও কন্যাশিশু দিবস উদযাপন, নিরক্ষরতা দূরীকরণে কর্মসূচি গ্রহণ এবং আত্মকর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগ ইত্যাদি ।
এভাবেই দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্তৃক পরিচালিত গণকেন্দ্রিক উন্নয়ন প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার সাংগঠনিক কাঠামোয় দেশব্যাপী সহযোগিতা করছে। এ প্রক্রিয়াকে বেগবান করতে সারা দেশে পাঁচ শতাধিক ইউনিট গঠিত হয়েছে। এ সকল ইউনিট বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, কলেজ, স্কুল, ক্লাব/এলাকা এবং ইউনিয়নভিত্তিক। প্রতি ইউনিটে সদস্য সংখ্যা ন্যূনতম ১১ থেকে ৫০০ জন।
ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার-এর সদস্য হবার শর্তাবলী
-যারা স্কুল, কলেজ অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের (বয়স ১৪ থেকে ২৫ বছর) শিক্ষার্থী
-যারা দেশের আইন মতে নৈতিকতা বিরোধী কোনো কার্যক্রমে লিপ্ত নয়;
-যারা নিজেদের তথা দেশের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী
-যারা সক্রিয় নাগরিক
-যারা অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল
-যারা স্বেচ্ছাব্রতী মনোভাবাপন্ন; -যারা সমাজ উন্নয়নমূলক বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত কিংবা সম্পৃক্ত হতে ইচ্ছুক
-যারা দেশের ইতিবাচক পরিবর্তন করতে চায়
-যারা নিজেদের মেধার সর্বোচ্চ বিকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একটি ক্ষুধামুক্ত ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখতে চায়
-যারা দি হাঙ্গার প্রজেক্টের সকল কর্মকৌশল ও নীতিমালার প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখে।
সামপ্রতিক সময়ের দৃষ্টান্তমূলক অর্জন: সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের দিক নির্দেশনা
বাংলাদেশে জাতীয় যুব সংসদ:
বাংলাদেশে জাতীয় যুব সংসদ গঠনের লক্ষ্যে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে; এরই অংশ হিসেবে তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশের লক্ষ্যে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, বিতর্ক ও মিনি পার্লামেন্ট আয়োজন করা হয়েছে। ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের উদ্যোগে ১০ এপ্রিল ২০১০ রাজশাহীতে জাতীয় যুব সংসদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী জেলার ৯০ জন যুব সাংসদ এই অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন। রাজশাহী জেলা প্রশাসন এবং জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের সহায়তায় রাজশাহী জেলার প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ১৫০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিনিধি প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হয়। ১৫০ টি প্রতিষ্ঠানের ২০ হাজারেরও বেশি ছাত্রছাত্রীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এই কর্মশালার মাধ্যমে রাজশাহী জেলা যুব সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য ৯০ জন যুব সংসদ-সদস্যকে নির্বাচিত করা হয়। ১০ এপ্রিল ২০১০ রাজশাহী শহরের চেম্বার এন্ড কমার্স ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিতহয় জাতীয় যুব সংসদের অধিবেশন।
ইউএনএমসির সহযোগিতায় এবং ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এই অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থি’ত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জনাব এএইচএম খায়রুজ্জামান। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. বদিউল আলম মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৫ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব ফজলে হোসেন বাদশা।
বিশিষ্টজনদের মধ্যে ইউএনএমসি প্রতিনিধি মনীষা বিশ্বাস, দৈনিক সমকালের বিভাগীয় সমপাদক সিরাজুল ইসলাম আবেদ, নারী নেত্রী রোজীটি নাজনীন, জয়তুনা খাতুন, সুজন-রাজশাহী মহানগর শাখার সমপাদক এএনএম সালেহ, দৈনিক সোনালী সংবাদের সমপাদক লিয়াকত আলী, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সচিব আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন। রাজশাহী জেলা থেকে নির্বাচিত ৯০ জন সংসদ-সদস্য ছাড়াও সারাদেশের ৬৩ টি জেলা থেকে আসা ৭৩ জন প্রতিনিধি পর্যবেক্ষক হিসেবে অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ১৮ টি তরুণ ও যুব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও রাজশাহী জেলার সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ অনুষ্ঠানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষক, অভিভাবকসহ শত-শত মানুষ ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এ্যাকটিভ সিটিজেনস কার্যক্রম:
“বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত, স্থানীয়ভাবে সম্পৃক্ত” এই শ্লোগানকে ধারণ করে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ এর ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার ইউনিট ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় ২০০৯ সালে এ্যাকটিভ সিটিজেনস ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং প্রকল্প গ্রহণ করে। আত্মশক্তি বিকাশ, নেতৃত্ব নির্মাণ, যোগাযোগ-দক্ষতা উন্নয়ন, সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠা, স্বেচ্ছাব্রতী আন্দোলনে উদ্বুদ্ধকরণ এবং সামাজিক উদ্যোগের জন্য প্রকল্প তৈরি, তহবিল গঠন এবং অংশীদারিত্ব ও বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক তৈরি করার লক্ষ্যে ব্রিটিশ কাউন্সিল-বাংলাদেশ ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট- বাংলাদেশ এর ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার ইউনিটের যৌথ উদ্যোগে এ্যাকটিভ সিটিজেনস ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং প্রকল্পের অধীন প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে মোট ১৬০ টি প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
প্রশিক্ষণের পর ৩৯২ টি স্থানীয় সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় যেগুলো এখনও চলমান। উল্লেখযোগ্য সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগ গুলো হলো :বিজ্ঞান ক্লাব, ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, পাঠাগার ও বিতর্ক ক্লাব গঠন; শতভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিতকরণ; নিরক্ষরতা ও আর্সেনিক দূরীকরণ; স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম; ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ; পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা; মাদক প্রতিরোধসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিয়ে গৃহীত প্রকল্পগুলোতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করার ফলে স্থানীয় জনসমাজে ইতোমধ্যেই সেগুলো ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করেছে। এ সকল প্রশিক্ষণে ৫৭৭৮ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে।
এ্যাকটিভ সিটিজেনস কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সারাদেশের বিভিন্ন কমিউনিটি থেকে ১৫ জন এ্যাকটিভ সিটিজেনস স্কটল্যান্ডে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ লাভ করে এবং স্কটল্যান্ড থেকেও ১২ জন এ্যাকটিভ সিটিজেনস বাংলাদেশে আসে। ব্রিটিশ কাউন্সিল, পাকিস্তান এর আয়োজনে ১৭ জানুয়ারি- ২০ জানুয়ারি ২০১১ পাকিস্তানের ইসলামাবাদে “ইয়ূথ ইন এ্যাকশন ফর গ্লোবাল চেঞ্জ” শীর্ষক প্রোগ্রামে সারাদেশ থেকে চারজন ইয়ূথ সদস্য অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে। এছাড়া এ্যাকটিভ সিটিজেনস কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করার জন্য ২৬ অক্টোবর ২০১০ ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী মার্টিন ডেভিডসন বাগেরহাট জেলার মংলার এ্যাকটিভ সিটিজেনসদের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। ঐদিন তিনি এ্যাকটিভ সিটিজেনদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা হাঁসি-খুশি লাইব্রেরী পরিদর্শন করেন।
এছাড়া ব্রিটিশ কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়ার পরিচালক স্টিভেন রোমান ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে মানিকগঞ্জের ভাটবাউর এ স্থানীয় ইয়ূথ লিডার ও এ্যাকটিভ সিটিজেনসদের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ছাত্রকল্যাণ পাঠাগার ও কাউটিয়ায় গণশিক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এর পাশাপাশি দেশের ৭টি অঞ্চলের এ্যাকটিভ সিটিজেনসদের কার্যক্রম তুলে ইতোমধ্যে ৪টি সামাজিক উদ্যোগ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং মে মাসে বৃহৎ পরিসরে ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হবে ।
গণিত উৎসব :
গণিত উৎসব হল ছাত্র-ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে গণিত ভীতি জয় করার অনুষ্ঠান। এখানে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের গণিত তথা বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী করে তোলা হয়। এ উৎসবে ছাত্র-ছাত্রী ছাড়াও শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক, গুণীজনসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের জনগণ অংশ নিয়ে থাকেন। ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি গণিত আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য গত ২০০৫ সাল থেকে কাজ শুরু করেছে। সারা দেশে ইউনিয়ন এবং উপজেলা পর্যায়ে গণিত উৎসবের আয়োজন করে চলেছে। ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ইউনিয়ন এবং উপজেলা পর্যায়ে ইতোমধ্যে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের সদস্যরা ১৩০ এর অধিক গণিত উৎসবের আয়োজন করেছে। এর মধ্যে দিয়ে প্রায় ১,২০,০০০ জন শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক ও শিক্ষকদের এ আন্দোলনে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হয়েছে। যার মধ্যে দিয়ে গ্রাম পর্যায়ে গণিতকে ছড়িয়ে দেওয়ার স্বীকৃতি স্বরূপ ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ বিশেষ সম্মাননাও লাভ করেছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ সালে পঞ্চম জাতীয় গণিত উৎসবে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি এই স্বীকৃতির স্মারক হিসেবে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করে।
এ আন্দোলনে প্রয়োজন আপনার নেতৃত্ব
এ আন্দোলনের আপনিও একজন অংশীদার। আপনার সমর্থন, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের উপর আন্দোলনের ভবিষ্যত নির্ভর করছে। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এ সামাজিক আন্দোলনে আপনার অংশগ্রহণ আপনার-আমার তথা সকলের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যত নিশ্চিত করবে।
ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ
৩/৭, আসাদ এভিনিউ, আসাদ গেট, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭, ফোন: ৮১১২৬২২, ফ্যাক্স: ৮১১৬৮১২
ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ এর সদস্য হতে চান, সামাজিক দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে দেশের এগিয়ে যাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে চান…………..
যোগাযোগ করুন
আব্দুস সবুর ০১৭১২৮৪১৫৮৩, abdus.sabur@thp.org

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *