পড়াশোনার কাজে ল্যাপটপ কেনার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু টিপস

স্টিভ জবস সম্পর্কে জানবো
April 25, 2017
বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন
April 26, 2017
Show all

পড়াশোনার কাজে ল্যাপটপ কেনার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু টিপস

ল্যাপটপ আজকাল কলেজ, কিংবা কোন কোন ক্ষেত্রে স্কুল জীবন থেকেই খুব দরকার। ল্যাপটপ কেনার সময় অনেকেই খোঁজ খবর করেন প্রথমেই বন্ধু মহলে, তারপর চেনা পরিচিত রয়েছে যে ব্যাবহার করছে। আজকাল যে কোন জিনিস সম্পর্কে জানতে আছে ফেসবুক, গুগল। কোনটা ভাল হবে, কোনটা সাধ্যের মধ্যে দরদাম টা রয়েছে সবাই আমরা আসলে খোজ খবর না করে কিনি না কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় পূর্ব অভিজ্ঞতা, বা সঠিক ধারণা না থাকলে, সে ক্ষেত্রে দোকানদার এর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই কিনতে হচ্ছে। দোকানদার সেক্ষেত্রে যে ব্র্যান্ড থেকে তার কমিশন বেশী সেটিকেই প্রাধান্য দিবেন। তারাও অনেক সময় আমাদের ভাল কিছু অজানা তথ্য দিয়ে থাকেন, এবং অবশ্যই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ল্যাপটপ কিনলে বিক্রয়কারীর থেকে আপনি warranty পাবেন, কিন্তু তার চেয়েও বেশী গুরুত্ব  পূর্ণ হচ্ছে আপনি যেই কাজটির জন্য ল্যাপটপ কিনছেন, তার কনফিগারেশন কাজ অনুযায়ী ঠিক কি না কারন দেখা যায় বাজেট এর কারনে দোকানদার লো – কনফিগারেশন এর একটি ল্যাপটপ ধরিয়ে দিলেন, কিন্তু তার সাথে হয়ত অল্প কিছু টাকা ম্যানেজ করলে, ভাল জিনিসটি পাওয়া যেত। আবার খুব সামান্য কাজের জন্য বিশাল অনেক কনফিগারেশন এর একটি ডিভাইস কিনে সেটি ব্যবহার হচ্ছে, না তার চেয়ে হয়ত যদি শুধু ছবি সংরক্ষণ করে রাখতে চান, তাহলে একটি স্টোরেজ ডিভাইস বা হার্ড- ড্রাইভ আপনার কাজে আসবে।

আমাদের আজকের লেখাটি হচ্ছে, বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য, আপনি কিভাবে বাজেটের মধ্যে একটি ল্যাপটপ কিনতে পারেন, সে ব্যাপারে একটি ধারণা দেয়া

 

সাধারণ ছাত্র ছাত্রী যাদের মুলত ব্রাউজিং, হালকা অনলাইন এডিট, মাইক্রোসফট অফিসের কাজ করতে হয়, তাদের জন্য Core i3, ৩০ হাজার টাকার মধ্যে পেয়ে যাবেন এবং এটি দিয়ে আপনি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত reporting, presentation এর কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন। যারা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছেন, বা কোডিং , ডেভলপমেন্ট এর কাজ করতে চাইলে Core i5, যা mid-level user দের জন্য ধরা হয়, সেটা ব্যবহার করতে পারেন। দাম পড়বে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে। র‍্যাম থাকে 8gb এর মধ্যে Graphics and animation এর কাজের জন্য core i7. এর সাথে র‍্যাম থাকে ৮GB থেকে 16gb এর মধ্যে. Built in graphics card থাকে যার জন্য গেমিং এবং graphics এর কাজ করা যায়। মুল্য সাধারণত ৬০ থেকে ৯০ হাজার টাকার মধ্যে, যা কনফিগারেশন অনুযায়ী দাম বাড়বে।

অনেক সময় মানুষ ব্র্যান্ড অনুযায়ী ল্যাপটপ খোঁজে। কার কাছে DELL  ল্যাপটপ ভাল লাগে, বা কেউ HP ল্যাপটপ ভাল বলেন। মার্কেটে ACER এবং asus ল্যাপটপ ও রয়েছে, এবং অনেক বিক্রি হয়। ব্র্যান্ড আলাদা হলেও ভিতরের মাদারবোর্ড ছাড়া হার্ডডিস্ক, র‍্যাম, প্রসেসর অবশ্য প্রায় ক্ষেত্রে একি কোম্পানির হয়ে থাকে সব ল্যাপটপ এর। র‍্যাম আপগ্রেড এর উপর ল্যাপটপ এ ভাল স্পীড পাওয়া যায়

পড়াশোনার কাজে ল্যাপটপ কেনার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু টিপস

  1. দোকানদার সেক্ষেত্রে যে ব্র্যান্ড থেকে তার কমিশন বেশী সেটিকেই প্রাধান্য দিবেন।
  2. আপনি যেই কাজটির জন্য ল্যাপটপ কিনছেন, তার কনফিগারেশন কাজ অনুযায়ী ঠিক কি না
  3. ব্র্যান্ড আলাদা হলেও ভিতরের মাদারবোর্ড ছাড়া হার্ডডিস্ক, র‍্যাম, প্রসেসর অবশ্য প্রায় ক্ষেত্রে একি কোম্পানির হয়ে থাকে সব ল্যাপটপ এর।

 

ল্যাপটপ এখন বিলাসিতা নয় চাহিদা। এখন কম্পিউটার পার্টস এর দাম বরং দিন দিন কমে আসছে এবং সামনে আরও সাধ্যের নাগালে চলে আসবে। লেখাটি ভাল লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *