ভর্তি যুদ্ধে টিকে থাকতে কি করবেন এইচ এস সি তে উত্তীর্ন শিক্ষার্থীরা?

শ্রেনিকক্ষ ও শিক্ষার্থী নিয়ন্ত্রণ
July 17, 2017
দ্রুত শেখার জন্য ১৬ টি উপায়
July 26, 2017
Show all

ভর্তি যুদ্ধে টিকে থাকতে কি করবেন এইচ এস সি তে উত্তীর্ন শিক্ষার্থীরা?

২৩/০৭/২০১৭ তারিখে ২০১৭ সালের এইচ এস সি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলো। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সবার জন্যই শুভ কামনা।সবাই নিশ্চয়ই ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছ  ইতিমধ্যেই?

অনেকেই ভালো ফলাফল করেছ। সবাই হয়ত কাঙ্ক্ষিত ফল পাও নি পরীক্ষায়।  তো এবার আস একটা গল্প নয় , সত্যি ঘটনা বলি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রের কাছ থেকে শোনা ঘটনা। মাধ্যমিকে ৩.৮৮ আর উচ্চ মাধ্যমিকে ৩.৯০ পেয়েও যিনি বিবিএ তে চান্স পেয়েছেন আর নিজের বিভাগে ছিলেন প্রথম তিন জনের একজন।  তিনি বলেন, ”বাংলাদেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসগুলো একই রকম। এখানে সিজিপিএ -র চেয়েও মেধার গুরুত্ব বেশি কারন, ভর্তি পরীক্ষায় পাঠ্য বইয়ের বাইরেও নানা প্রশ্ন আসে,পরীক্ষার পরের এই স্বল্প সময়কে যারা বুদ্ধিমত্তার সাথে কাজে লাগাতে পারে, তারাই পারে ভর্তি যুদ্ধে টিকে থাকতে।”

ঢাকা মেডিকেল-এর এক শিক্ষার্থী ও জানিয়েছেন একই কথা। তিনি বলেন, ”ভালো কোন জায়গায় ভর্তি হতে না পারলে যেমন ভালো রেজাল্টের কোন মূল্য থাকে না, তেমনি ভালো জায়গায় ভর্তি হতে পারলেও মানুষ আর রেজাল্টের কথা মনে রাখে না। এই সময়টাই গুরুত্বপূর্ণ, রেজাল্টের কথা ভুলে গিয়ে নতুন উদ্দমে পড়াশোনায় মন দেয়ার।”

বার বার হেরে যাওয়ার পর জেতার আনন্দ অনেক । নিজেকে ব্যার্থ ভাবার কোন কারণ নেই । অন্যকেউ আপনার জীবন কেমন হবে সেটা বলে দেয়ার ক্ষমতা রাখে না । আপনার জীবন টা আপনার একান্ত ব্যাক্তিগত ।সাফল্যে শতভাগের মাত্র একভাগেরও কম থাকে সৌভাগ্য বাকিটা কঠোর পরিশ্রম । সফলতার একটাই রাস্তা পরিশ্রম করে এগিয়ে যাওয়া । এখানে সর্টকার্ট কিছু নেই । সর্টকার্ট করতে গেলেই সর্টসার্কিট ।পূর্ণ উদ্যমে কোমর বেঁধে পড়াশোনায় ঝাঁপিয়ে পরুন।

চাইলেই মানসিকভাবে হয়ে ওঠা সম্ভব অনেক শক্তিশালী আর আত্মবিশ্বাসী। জয় করা সম্ভব যত অপ্রাপ্তি।তোমাদের জন্য রইল কিছু টিপস

  স্মৃতিগুলো ভুলে যাও ঃ

মনের জোর হারিয়ে ফেলার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে  বার বার দুঃখ- কষ্টের কথা মনে করা। যা হয়েছে , হয়েছে  অযথা মস্তিষ্কের গুরুত্বপুর্ণ স্থানগুলো অকারনে ভয়, আশংকা দিয়ে  দখল করে রাখতে দেবেন না।

ইতিবাচক চিন্তা করুনঃ

ইতিবাচক চিন্তা করো । আগের  ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুনভাবে রুটিন  সাজাবার চেষ্টা করো । একটা বিষয়ে ইতিবাচক চিন্তা  অনেকটাই এগিয়ে দেয় সফলতার পথে।

কাছের মানুষগুলোর সাথে সময় কাটাও

কাছের মানুষেরা  সব চেয়ে বেশী অনুপ্রেরণা যোগাতে সক্ষম। তাই চেষ্টা করবে  তাদের সাথে সময় কাটাবার। ভালো লাগার মানুষদের সংস্পর্শে মন ভালো হয়ে যায়, সময় ভালো কাটে, তাদের সামান্য প্রশংসাতেও অনেকটা অনুপ্রেরণা খুঁজে পাওয়া যায়।

ধৈর্য ধরতে হবেঃ

জীবনে সমস্যা থাকবেই। হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধরো। একটা নির্দিষ্ট সময় পরে খারাপ সময়টা কেটে যাবেই। নিজেকে বোঝাও যে কষ্টের দিন কারো দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

নিজেকে নিয়ে পরিকল্পনা করোঃ

নিজেকে নিয়ে ভাবো । পরিকল্পনা করো।  আগামী কয়েক বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চাও সে ছক আঁকো। সে অনুযায়ী কাজ করো। স্বপ্ন দেখতে পারাই সফলতার সূচনা।

নিয়ম মাফিক জীবনযাপন করো ঃ

ব্যায়াম, খাওয়া আর ঘুমের রুটিনটা ঠিক রাখতে হবে। শরীরের সুস্থতার সাথে মনের জোর সরাসরি সম্পৃক্ত। নিজেকে দেখতে সুন্দর ও সতেজ লাগলে মনের জোর বেড়ে যায় বহুগুণে। আর সুস্থ থাকাটা খুব ই জরুরি এখন।

হোঁচট খেয়ে তো সবাই পড়ে ! জীবনে অনেক  ধাক্কা খাবে , হোঁচট খাবে , পড়ে যাবে , শরীর ক্ষতবিক্ষত হবে , সবাই আঘাত করতে থাকবে তোমাকে ! কিন্তু হেরে গেলে চলবে না ! দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে আবার উঠে দাড়াতে হয় !! সফল হতে হলে ক্ষতবিক্ষত শরীর নিয়েও লড়ে যেতে হয় ! ব্যাথা,দুঃখকে সঙ্গী করেই দৌড়াতে হবে ।

পৃথিবী তাদেরই চায় যারা সকল প্রতিকূলতাকে তুচ্ছ করে বাঘের মত পেছনের সারি থেকে সামনে উঠে আসে !
কজ,দ্যা ওয়ার্ল্ড ইজ অনলি ফর ফিটেস্ট এন্ড ফাইটারস !

হ্যাঁ-তুমি আবার উঠে দাঁড়াবে !  তোমাকে উঠে দাঁড়াতেই হবে !!!

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *