পড়াশোনার জন্য প্রস্তুতি নিন সঠিক নিয়মে।

August 2, 2017
Comprehension বা reading passage খুব সহজে সমাধান করার কিছু উপায়
August 7, 2017
Show all

পড়াশোনার জন্য প্রস্তুতি নিন সঠিক নিয়মে।

ছোটবেলা থেকে পড়াশোনা নিয়ে কথা শোনেনি এমন লোক দূরবীন দিয়ে খুঁজলেও ত্রিসীমানায় পাওয়া যাবে না। বাবা মায়ের দুশ্চিন্তা, মন খারাপ, ঝগড়া বিবাদ মনো মালিন্য সব কিছুর পিছনে কোথায় না কোথাও ছিল, ছেলে মেয়ে পড়াশোনাও আশানুরূপ ভাল ফলাফল কেন করছে না। আর আগের চেয়ে ছেলে মেয়েদের নিয়ে এখন দুশ্চিন্তা, প্রতিযোগিতা, প্রেশার সবকিছুই বেড়ে গিয়েছে। চারু কারু, আই সি টি এরকম অনেক বিষয় আগে, বাংলাদেশের বাংলা মিডিয়ামের ছেলে মেয়েদের সিলেবাসে ছিল না, সেখানে এখন তাদের ৫০ মার্কের এসব বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। ইংরেজি মিডিয়ামেও এখন পড়াশোনার পাশাপাশি ক্লাব কার্যাবলী, আনুসাঙ্গিক বিষয় শিক্ষা এসব অনেক ধরনের কাজ করতে হয়। কিন্তু দিন রয়ে গেছে ২৪ ঘণ্টার ই, বছর ১২ মাস থেকেও বাড়ে নি বইকি। বরং যানজট কেরে নিচ্ছে ঢাকা শহরের মানুষদের অমুল্য সময়।

এই লেখাটির উদ্দেশ্য, কিভাব একটু প্লান মাফিক আগালে, পড়াশোনার জন্য সময় ভালভাবে ব্যবহার করা যাবে।

পর্যাপ্ত ঘুম, রেস্ট ; – প্রথমেই দরকার আসলে ছাত্রছাত্রীদের পর্যাপ্ত ঘুম বা  বিশ্রামের। কারন গভীর নিদ্রার এক সময় মস্তিষ্ক বিকশিত হয়। এ কারনে, নবজাত শিশুদের বেলায়, পুষ্টির পাশাপাশি ঘুম কে গুরুত্ব দেয়া হয়।

টানা নয়, সময় কে ছোট ছোট করে ভেঙ্গে পড়াঃ  আমাদের মধ্যে অনেকেই, এমনকি বয়স্ক ব্যাক্তিরা টানা বশে ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা পড়াশোনা করতে বলেন। এটা আসলে ঠিক নয়। বরং বিষয় ভাগ করে নিয়ে ছোট ছোট সময় করে পড়ালেখা করাই অধিক গুরুত্ব বহন করে, কার্যকরী হয়

গ্রুপ স্টাডিঃ একা পড়ালেখা না করে কয়েকজন মিলে গ্রুপ করে পড়ালেখা করলে, তার সুফল পাওয়া যায় অনেক। কারন গ্রুপ একজন একটা বিষয়ে দুর্বল থাকলে, যে ভাল পারে, সে বুঝিয়ে দিতে পারে।

ছোট কার্ডে লেখার প্র্যাক্টিসঃ  আমরা মুলত খাতায় লিখে অভ্যস্ত। তাও যেন প্রয়োজন ছাড়া লিখতে চাই না কেউই। কিন্তু পড়ার পাশাপাশি লিখলে মনে রাখা যায় সহজে, এবং একটা টপিকের উপর কম সময় ব্যয় করতে হয়। সেক্ষেত্রে brainstorming এর মত করে বা ছোট ছোট কার্ডে লেখার অভ্যাশ খুব কাজে লাগবে

 এনার্জি বাইটসঃ পড়াশোনার মাঝে হালকা চকলেট বা সুইট জাতীয় খাবার তাৎক্ষনিক এনার্জি দিবে, যেটা বেশ কাজে লাগে, বিশেষ করে যাদের রাত জেগে পড়াশোনা লাগে

সারা দিনের প্ল্যানঃ সারাদিনের একটি প্ল্যান করে নিলে, কোন কাজটি বেশি জরুরি এবং আগে করা উচিত সেটা বের করা যাবে।

এবং সবশেষে সবচেয়ে দরকারি যে জিনিস সেটা হল, ফোন এবং অন্যান্য গ্যাজেটস, ফেসবুক, অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক জিনিস বিন্ধ করে রাখা, যেন এগুলোর আওয়াজ বা নোটিফিকেশনে মনোযোগে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি না হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *