ইতিবাচক চিন্তার মাধ্যমে নিজেকে করুন সফল ও সুখী – পার্ট 2
March 19, 2018
যেখানে আর যে বিষয়েই পড়াশোনা করুন না কেন, আপনাকে চাকরির বাজারে এগিয়ে রাখবে যে কাজগুলো।।-Part 2
May 30, 2018
Show all

যেখানে আর যে বিষয়েই পড়াশোনা করুন না কেন, আপনাকে চাকরির বাজারে এগিয়ে রাখবে যে কাজগুলো।।-Part 1

এইচএসসি পরীক্ষা শেষে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন কিন্তু, জিততে পারেন নি? হতাশায় ভেঙ্গে পরেছেন, অবশেষে ঠাঁই হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বা national university-তে । অনেকেই বলে, ,”ভাই/ আংকেল ন্যাশনাল এ ভর্তি হয়েছি, কিছু কি করতে পারব?”!! ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি নিয়ে baseless tension করবেন এটা মেনে নেওয়া অসম্ভব। অথচ আমি ভাবি,
ইসস! যদি আমি আবার ১৮ বছর বয়সে ফিরে যেতে পারতাম! ইউনিভারসিটি তে যাবো যাবো করছি সে সময়! তাহলে আমি শুধু “জিপিএ নিয়ে বের হব” তা মাথায় রাখতাম না! জিপিএর চেয়ে আরো অনেক মূল্যবান ব্যাপার স্যাপার আছে তাতে Concentrate করতাম।
কি করতাম!?
১. প্রতি সেমিস্টার এ বিভিন্ন সাবজেক্ট এ থিসিস বা কোন টার্ম পেপার লিখতে দেয়। কাট পেস্ট টাইপ Plagiarism মার্কা লেখা না লিখে একটু কস্ট করে ডাটা উপাত্ত নিয়ে, রেফারেন্স ঘেটে একটা পেপার দাঁড় করাতাম। প্রফেসার ফেলে রাখতো?!। কোন অসুবিধা নাই। ওই সাবজেক্ট এর International কোন mid বা low mid level Journal/ magazine ( হোক সেটা মাদাগাস্কার বা সিয়েরা লিওন এর) এর ঠিকানা বের করতাম যারা ওই বিষয় নিয়া লিখে। তাদের ফরম্যাট ফলো করে ওই পেপার টা পাঠিয়ে দিতাম। পাঠানোর আগে আমার Academic লিখা ওই Journal এর পাঠক দের জন্য একটু Formatize করতাম। কিছুদিন অপেক্ষা করে আবারো অন্য Journal/ magazine এ পাঠাতাম। এইভাবে প্রতি সেমিস্টার এর প্রত্যেক টা “ফেলে দেওয়া” কিন্তু কস্ট করে লেখা পেপার বিভিন্ন জার্নালে পাঠাতাম। ৪ বছরের undergraduate কোর্সে অন্তত ১০০ পেপার রিজেকশন! আর ৫ টা Acceptance! Yummy! আমার জন্য যথেষ্ট! Turn potential trash into assets!

২. প্রতি সেমিস্টার ব্রেক এ Unpaid, unofficial ইন্টার্নশীপ করতাম। কিভাবে ম্যানেজ করতাম? আত্মিয়ের গার্মেন্টস আছে, বন্ধুর বাবার বিজনেস আছে, পরিচিত অফিস আছে! যে করেই হোক, খুজলে কিছু না কিছু পাওয়া যাবেই। ওইখানে মাস খানেক দরকার হলে টাইপিস্ট, পাওয়ার পয়েন্ট মেকার, এসিস্টেন্ট হিসেবে কাজ করতাম। মাত্র একমাস! কি লাভ? কঠিন নেটওয়ার্ক হতো, অফিস কিভাবে কাজ করে তা জানতাম আর অভিজ্ঞতা তো আছেই। ৪ বছর এর কোর্সে ৬ মাস এর প্র‍্যাক্টিকাল অভিজ্ঞতা যা IBA/DU/BUET কেনো Harvard / Oxford এর ক্লাশ রুম ও শিখাতে পারবে কিনা সন্দেহ!

৩. ভলান্টিয়ারিং করতাম। কত্ত ধরনের ভলান্টিয়ার কাজ এর সুযোগ আছে আমাদের। পথ শিশুদের নিয়ে কাজ,গ্রামের স্কুল এ পড়ানো, দূর্যোগ এর সময় সাহায্য, ব্র‍্যাক, গ্রামিন কত্তো কি! আমি Harvard এ Master’s in Learning and Teaching (M. Ed) এর জন্য এপ্লাই করে Accepted হই নি। পরে যারা accepted হইছে তাদের পাবলিক প্রোফাইল এ গিয়ে দেখলাম দুই ইন্ডিয়ান যারা নাকি ওদের গ্রামে স্কুলের টয়লেট নিয়ে ভলান্টিয়ার করেছে। অসাধারণ কাজ। তাদের একাডেমিক ফলাফল এর চেয়েও নিশ্চই সমাজে এটার প্রভাব অনেক বেশী ছিলো। যাই ভলান্টিয়ার করতাম সব কিছুই ছবি, ভিডিও, ব্লগপোস্ট এর মাধ্যমে record/ portfolio বানিয়ে রাখতাম।

৪. Third year এ উঠার পর পরই ঠিক করতাম দেশে পড়বো না বিদেশে যাবো। দেশে থাকলে Master’s (for example IBA) এর প্রিপারেশন নেয়া শুরু করতাম। বিদেশে প্ল্যান করলে TOEFL/ IELTS/ GRE প্রিপারেশন সহ বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে খোঁজ খবর নেয়া শুরু করতাম।

৪ বছর পরে GPA এর বাইরে আমার যা যা থাকত:
১. Practical কাজের অভিজ্ঞতা সহ কঠিন নেটওয়ার্ক
২. International Journal Publication
৩. Volunteering experience
৪. Next academic adventure (দেশের জন্য বা বিদেশে) এর ফুল প্রিপারেশন।

এখন বলবেন সময় কই!? মাসে ফেসবুক + আড্ডা + অতিরিক্ত ঘুম + GF/BF টাইম+ খামাখা অন্য কাজে নস্ট করা সময় যোগ করেন! একসাথে দুইটা ডিগ্রী করার টাইম আছে। Trust me!

দেখতে দেখতে ৪ বছর সময় চলে যাবে। সময় যে কি তাড়াতাড়ি যায়!
সময় কত্তো তাড়াতাড়ি যায়! কিন্তু আমরা সময় কে ধরতে পারি না সময়মতো। পরে কি হয়? খামাখা Frustration!!! Bullshit!!!!!
Now stop reading this post, write your plan and hang in the wall! Start working, RIGHT NOW!!!

#collected.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *