English Writing -এ এক্সপার্ট হওয়ার অব্যর্থ কৌশল।
June 13, 2018
Show all

কিছু বিখ্যাত বইয়ের review, যা আপনার পড়া উচিৎ ।

শারমিন মাহজাবিন বই পড়তে ভালবাসেন, সবসময় বই পড়ার কথা বলেন। এই লেখাটি, উনি নিজে লিখেছেন উনার পছন্দের কিছু বই নিয়ে, যেটা উনি মনে করেন সবার পড়া উচিত। অনেক বই এর কথা মনে পরছে, কিন্তু লেখার ফোকাস হারাতে চাই না। আমি মিক্সড রিডার। সব ধরনের বই পড়ি, ফিকশন কম পড়া হয়। প্রথমবার যেহেতু বুক রিভিউ দিচ্ছি, তাই diversified background থেকে বই দেয়ার চেষ্টা করব
1. Books by DAVE Trott – one+one=three and predatory thinking – ডেভ আমার পছন্দের লেখক। আমি প্রথম যখন তার বই পড়ি, এই বই দুটি, আমি এক বসায় শেষ করেছিলাম মনে আছে। আমর মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছা করে, ইউনিভার্সিটির একদম প্রথম সেমেস্টারের দিকে মার্কেটিং-এর একটা কোর্স পড়াব। আমার supplementary reading হিসেবে ক্রিয়েটিভিটির উপরে এই বই দুটা থাকবে। predatory thinking বই থেকে আমার পছন্দের একটা findings আছে। লেখকের বাবা একবার হেলে যাওয়া বিল্ডিং থেকে চাপা পরা একটা মেয়েকে এমনভাবে বের করে এনেছিলেন, নাহলে তার হাত কাটা যেত। একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ তখন তার বাবা কে ঘাড়ের উপর দাড় করিয়ে তারা কাজটি করেন। কোন কারনে সেই অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশটি মেডেল পায়, এবং তা নিয়ে সারাজীবন তার বাবার দুঃখ থেকে যায়, এবং প্রায় সবার সাথেই তিনি সেই গল্পটি করেন যে ছোট মেয়েটির হাতটি যেন কাটা না পরে, সেই দেয়াল তুলে ধরার আসল বুদ্ধিটি তার ছিল, কিন্তু উনি appreciation এর হকদার হয়েও পাননি। গল্পটি থেকে লেখক যেই অনুভুতি শেয়ার করলেন, তাই ছিল শিক্ষনীয়, যে আমাদের সবার জীবনে আসলে এরকম অনেক গল্প আছে, দুঃখ থাকবে, কিন্তু এসব কার জেনে বা শুনে কোন লাভ নেই। কিছু মানুষ আসলে জেনে খুশি হবে, যে আপনি এই সমস্যায় আছেন, এবং সবচেয়ে বড় হচ্ছে তাদের কিছু আসে যায় না।

2. 48 laws of power – The Sunday Times noted that The 48 Laws of Power has become the “Hollywood back-stabber’s bible” বয়শ ৩০ পার হয়ে গেলে, এই বইটি সবার পড়া উচিত। অনেকে বলতে পারেন আরও আগে, আমি youth, innocence, free, frankness, talking from heart, no double facing এই ব্যাপারগুলো যতদিন বেশি পারা যায় জীবনে ধরে রেখে উপভোগ করায় বিশ্বাসী। বইটা পড়তে গিয়ে আপনার মনে হবে, অসম্ভব, এমন আমি কোনদিন পারব না। পারতে হবে না, কিন্তু জীবনে সবাই একসময় পরিনত বয়সে, প্রবেশ করে, তখন অনেকের কৌশল বুঝতে পারবেন, অনেক সাইকোলজির ব্যাখা করতে পারবেন এই বই থেকে। বইটি আমি কখন টানা পরে শেষ করতে রিকমেন্ড করব না, আমি বলব প্রতিদিন একটা বা দুটা করে laws পড়ে পড়ে বইটি শেষ করবেন ।

3. An unsuitable boy by karan johar – অনেক মজা পাবেন বইটি পড়ে, অনেক জানতে পারবেন, বুঝতে পারবেন, শিখতে পারবেন। ইন্ডিয়ার এটি একটি ন্যাশনাল বেস্ট সেলার। karan তার জীবনের অনেক মজার কিছু শেয়ার করেছে, উত্থান পতন, এগিয়ে যাওয়া, থেমে যাওয়া। ওর ছোটবেলায় ওর airhostess অ্যান্টিদের influence এসেছে ওর fashion sense এ, কথাবলায়, কারন সেই সময় airhostess দের অভিনেত্রীদের চেয়েও বেশি গ্লামারাস স্টাইলিশ ধরা হত। সে সময়ে স্পিচ দেয়া এবং লেখার ব্যাপারে, কারান কিভাবে সব বেস্ট স্কুলের ছেলেমেয়েদের মধ্যে বেস্ট হয়ে ওঠে, যে স্কুল শেষ দিনের প্রোগ্রামে, ওদের স্কুলের best boy ওর সম্পর্কে বলে “ this may be the last time you will seeing karan johar speaking on stage”। বইটিতে লেখকের কিছু কিছু, remarks যেমন “death never bothers me, life sometimes does”. EQ is more important to IQ, অসাধারণ। এই বইটি পড়ার পর আমি নেক্সট যেই বইটি পড়ব বলে সিদ্ধান্ত নেই সেটি হল Emotional Intelligence.

4. The aljebra of infinite justice – আমি যেদিন এই লেখিকার সব বই পড়ে শেষ করে ফেলতে পারব, সেদিন মনে হবে, আসলেই কিছু achieve করেছি। নিজের দেশ সম্পর্কে এত কিছু লেখার জন্য অনেক অনেক সাহস, রিসার্চ, পড়াশোনার দরকার, যেটার স্পষ্ট ছাপ পড়ে তার লেখায় ।

5. Rich dad poor dad – ননফিকশন আমার মতে ১৫/১৬ বছর বয়স থেকে পড়া শুরু করা উচিত। ১০০ বেস্ট নন ফিকশনে, মিলিওন সেলার হিসেবে যেসব বইয়ের নাম আসবে, সেগুলা যেই সময়ে লেখা হয়েছে, এখনকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জন্য জীবনের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। আমার বাবা সবসময় বলতেন, কাজ করে যাও, কাজের জায়গায়, কদর কাজ থেকেই আসবে, আব্বাকে বললাম, আব্বা ব্যাপার এখন এই, যে যত ফটর ফটর গাইতে পারে, সে তত সমাদৃত, এখন সেই সমাদরের সংজ্ঞা ক্ষেত্র বিশেষে ভিন্ন। Rich dad poor dad বইটি খুব সুন্দরভাবে লেখা বা উপস্থাপন করা হয়েছে, পড়েই বড়লোক হয়ে যাওয়ার বই হলে ত সোনার দামে বিক্রি হতে, ভিউ পয়েন্ট চেঞ্জ করতে বেশ কাজে লাগবে। এটা দিয়ে শুরু করতে পারেন নন ফিকশনের জগত।

6. Impatient Optimist – গেটস সাহেবের অসাধারন কিছু উক্তি নিয়ে বইটি, পড়লে বোঝা যায় , উনি অকারনেই ওয়ারেন বাফেট কে পিছনে ফেলে শীর্ষ ধনী হননি। প্রশ্ন করা হয়েছিল, স্টিভ জবস সম্পর্কে কিছু বলুন – উনি উত্তরে বললেন ওর মত ১০% ও যদি আমার টেস্ট থাকত। নিজের ছেলেমেয়ে যে এত পয়সার খনির মধ্যে রেখে যাচ্ছেন – উত্তরে বললেন, আমি কখনই চাই না ওরা সময়ের আগে এসব বুঝুক, পরিনত বয়স বা বোঝার আগে বুঝতে পারলে, ওদের সত্যিকারের কোন বন্ধু হবে না।

আরও অনেকগুলো বইয়ের কথা মনে পরছে, কিন্তু অন্য সময়ে লিখব, আপাতত happy reading।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *